News update
  • সারাদেশে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষকদের সম্মানি পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে : প্রধানমন্ত্রী     |     
  • বরগুনার সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে দুই ট্রলার ডুবি, ১৬ জেলে উদ্ধার, নিখোঁজ ২     |     
  • সারাদেশের সরকারি প্রাথমিকে রোপণ হবে প্রায় ২ লাখ চারা      |     
  • মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের আগাম অর্থ লেনদেন না করার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের      |     
  • গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : জ্বালানি মন্ত্রী     |     
প্রথম পাতা 2026-07-08, 4:55pm

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মাদ্রাসায় পাহাড়ধসে ৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু, বহু হতাহতের শঙ্কা

003-e88a49bccde359f0cabb40db83ba60801783508102.jpg

ছবি: সংগৃহীত


কক্সবাজারের উখিয়ার ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভারী বর্ষণের কারণে একটি মাদ্রাসার ওপর পাহাড়ধসে ৫ জন শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে এবং মাটির নিচে অন্তত ২০ থেকে ৩০ জন শিক্ষার্থী চাপা পড়ে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। 
আজ দুপুর আড়াইটার দিকে কুতুপালং ৫ নম্বর ক্যাম্পের 'এ-থ্রি' ব্লকের একটি মাদ্রাসায় (মক্তব) এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সময় মাদ্রাসাটিতে ক্লাস চলছিল এবং ভেতরে ৩০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী অবস্থান করছিল। 

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় রোহিঙ্গা স্বেচ্ছাসেবক, এপিবিএন (APBN) এবং মানবিক সংস্থাগুলোর সহায়তায় উদ্ধার কাজ শুরু করে। উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ডলার ত্রিপুরা নিশ্চিত করেছেন যে, এখন পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ থেকে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে মৃতের সংখ্যা ৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, আরও ২০ জনের বেশি শিক্ষার্থী মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। ঘটনার পর তাৎক্ষণিকভাবে অলৌকিকভাবে ৭ জন শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। 

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (RRRC) মো. মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস যৌথভাবে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। তবে ঠিক কতজন নিখোঁজ বা মাটির নিচে আটকা পড়ে আছে, তা উদ্ধার অভিযান শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

গত কয়েকদিন ধরে কক্সবাজারে অবিরাম ভারী বর্ষণ চলছে, যার ফলে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে এই ধসের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগের গত দুদিনেও (রোববার ও সোমবার) উখিয়ার ৭, ১১ ও ১৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বিভিন্ন স্থানে পৃথক পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ আরও ৮ জন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছিল। টানা এই বর্ষণে ক্যাম্পের হাজার হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ ঢালে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।