News update
  • পরীক্ষা জালিয়াতি রোধে কঠোর শাস্তি, পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধন বিল পাস     |     
  • স্বাস্থ্য খাতের ঘাটতি চিহ্নিত করে তা সমাধানে কাজ করছে সরকার : ডা. জুবাইদা রহমান     |     
  • গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের     |     
  • বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান     |     
  • চট্টগ্রামে পানির নিচে রেললাইন     |     
বঙ্গলোক ডেস্ক প্রথম পাতা 2026-07-07, 8:07pm

পরীক্ষা জালিয়াতি রোধে কঠোর শাস্তি, পাবলিক পরীক্ষা আইন সংশোধন বিল পাস

image-312441-1780719439-3dea8e994f76106fd0b0e5c11a3d7af61783433227.jpg


প্রশ্নপত্র ফাঁস, ডিজিটাল কারসাজি, জাল সনদ তৈরি ও প্রযুক্তিনির্ভর পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে জাতীয় সংসদে পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬ পাস হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। পাবলিক পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও সুষ্ঠুতা নিশ্চিত করতে ১৯৮০ সালের বিদ্যমান আইনটি সংশোধন করা হয়েছে।
সংশোধিত আইনে প্রথমবারের মতো ‘ডিজিটাল কারসাজি’র সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে। পরীক্ষার ডাটাবেজে অননুমোদিত প্রবেশ, হ্যাকিং, তথ্য পরিবর্তন, মুছে ফেলা বা গোপন করাকে এর আওতায় আনা হয়েছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।
এছাড়া নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া বা পরীক্ষা-সংক্রান্ত নির্দেশনা অমান্য করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
প্রশ্নপত্র বা উত্তরপত্র ফাঁস, প্রকাশ বা বিতরণের অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনুমোদনহীন পরীক্ষাকেন্দ্র পরিচালনা এবং পরীক্ষার ফল প্রভাবিত করতে উত্তরপত্র মূল্যায়নে ইচ্ছাকৃত কারসাজির ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান যুক্ত করা হয়েছে।
সংশোধনীতে পরীক্ষা-সংক্রান্ত অপরাধে সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে অপ্রাপ্তবয়স্ক অভিযুক্তদের বিচার শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী পরিচালনা এবং তথ্যদাতাদের (হুইসেলব্লোয়ার) আইনি সুরক্ষার বিধান রাখা হয়েছে।
নতুন আইনে সব অপরাধকে আমলযোগ্য করা হয়েছে, যাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আদালতের পূর্বানুমতি ছাড়াই ব্যবস্থা নিতে পারে। পাশাপাশি আইন বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়নের ক্ষমতা সরকারকে দেওয়া হয়েছে।